আর্ক ওয়েল্ডিং এর দোষ ত্রুটি ও প্রতিকারসমুহ | ওয়েল্ডিং এন্ড ফেব্রিকেশন ১

আর্ক ওয়েল্ডিং এর দোষ ত্রুটি ও প্রতিকারসমুহ ক্লাসটি ওয়েল্ডিং এন্ড ফেব্রিকেশন ১ [Welding and Fabrication 1] কোর্সের ১৪তম অধ্যায়ের [ Chapter 14 ], ১ম ট্রেডের [Trade 1] অংশ। আর্ক ওয়েল্ডিং এর দোষত্রুটি ও প্রতিকারসমুহ [ Defects and Remedies of Arc Welding ] ক্লাসটি ওয়েল্ডিং এন্ড ফেব্রিকেশন ১ [Welding and Fabrication 1] কোর্সের [Course] , যা ৯ম শ্রেণীতে [Class 9] পড়ানো হয়।

 

আর্ক ওয়েল্ডিং এর দোষ ত্রুটি ও প্রতিকারসমুহ

 

ওয়েল্ড মেটালের গঠনগত কতকগুলো অপ্রত্যাশিত ত্রুটির কারণে সঠিকভাবে জোড়া লাগে না, জোড়া অসুন্দর হয়, শক্তি কম হয়, তা ভেঙ্গে যায় বা যাওয়ার প্রবণতা থাকে একে ওয়েন্ডিং এর ত্রুটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর্ক ওয়েল্ডিং সাধারণত নিম্নলিখিত দোষত্রুটিগুলো দেখা যায়।

 

আর্ক ওয়েল্ডিং এর দোষ

 

(১) ফাটল (Cracks)

(২) অল্প গলন (Poor fusion)

(৩) ধাতুমলের অন্তর্ভূক্তি (Shug Inclusion)

(৪) ছিদ্রময়তা (Parosity )

(৫) স্বল্প পেনিট্রেশন (Poor penitration)

(৬) উত্তপ্ত ধাতু ছড়ানো (Spattering)

(৭) আন্ডার কাট (Under Cut)

(৮) পুড়ে যাওয়া বিকৃতি (Burn Through)

(৯) ওভার ল্যাপিং (Over Lapping)

(১০) বিকৃতি (Distortion)

 

আর্ক ওয়েল্ডিং ত্রুটিসমূহ শনাক্ত করণ

ফাটল :

ওয়েল্ড মেটালে বা বেস মেটালে যে কোন ধরনের ফাটল ফাটলত্রুটি হিসেবে বিবেচিত হয়। অর্থাৎ ওয়েল্ডিং করার পর বেসমেটাল এবং ওয়েল্ড মেটালের সংযোগস্থলে, অথবা বেসমেটাল বা ওয়েল্ড মেটালে যে চিড় ধরে তাকে ফাটল বলে। যে ফাটলগুলি খালি চোখে দেখা যায়, তাদেরকে ম্যাক্রো ক্র্যাকিং এবং যে ফাটলগুলো খালি দেখা যায় না, মাইক্রোসকোপ এর সাহায্যে দেখতে হয়, সে ফাটলগুলিকে মাইক্রো ক্র্যাকিং বলে।

অল্প গলন :

মূল ধাতুর সাথে ওয়েল্ড মেটালের বা ওয়েল্ড মেটালের পুরোপুরিভাবে মিশ্রণের অভাবকে অল্প গলন বলে। কাল দাগ দ্বারা দেখান হয়েছে যে, ওয়েল্ড মেটাল মূল ধাতুর সাথে মিশেনি।

ধাতুমলের অন্তর্ভুক্তি : 

গলিত ওয়েল্ড যখন জমাট বাধে তখন তার অভ্যন্তরে কোন কোন সময় ধাতুমল আটকে পড়ে একে ধাতুমলের অন্তর্ভুক্তি বলে।

ছিদ্রময়তা : 
ওয়েল্ড শেষে ওয়েল্ড মেটালে অনেক সময় একাধিক ছোট ছোট ছিদ্র দেখা যায় একে ছিদ্রময়তা বলে। যখন এ ছিদ্রগুলো বড় মাপের অর্থাৎ প্রায় ২-৩ মিলিমিটার হয় তখন তাকে রোহোল বলে।

স্বল্প পেনিটেশন 

ইলেকট্রোড গলে মূল ধাতুর অভ্যন্তরে যে পর্যন্ত প্রবেশ করা প্রয়োজন সে পর্যন্ত প্রবেশ না করলে তাকে স্বল্প পেনিট্রেশন বলে।

উত্তপ্ত ধাতু ছড়ানো 

ওয়েন্ডিং করার সময় ইলেকট্রোড গলে জোড়ার স্থানে না পড়ে তার চারপার্শ্বে ছড়িয়ে পড়ে এটি ইংরেজিতে স্প্যাটার ত্রুটি নামে পরিচিত।

আন্ডার কটি 
বেস মেটাল কিংবা ওয়েল্ড মেটালের পার্শ্বদেশ আর্কের অতিরিক্ত উত্তাপে কেটে গেলে তাকে আভারকটি বলে।

পুড়ে যাওয়া 

আর্কের অতিরিক্ত উত্তাপে জোড়াস্থানে পুড়ে গর্ত হয়, ফলে গলিত ধাতু জোড়া স্থানে না জমে নিচে পড়ে যায়। এটিই পুড়ে যাওয়া ত্রুটি।

বিকৃতি

ওয়েন্ডিং এর সময় মূল ধাতুটি অসমভাবে উত্তপ্ত এবং পরবর্তীতে ঠাণ্ডা হওয়ার কারণে বেসমেটাল মোচড়ে কিংবা বেঁকে যায় একে বিকৃতি ত্রুটি বলে।

ওভার ল্যাপিং

মাত্রাতিরিক্ত ওয়েল্ড মেটাল যখন মূল ধাতুর উপর জমে থাকে তাকে ওভার ল্যাপিং বলে।

 

 

আর্ক ওয়েল্ডিং এর দোষত্রুটি ও প্রতিকারসমুহ নিয়ে বিস্তারিত ঃ

Leave a Comment